টরন্টোয় ‘বিসিসিবি ওমেন’-এর উদ্যোগে নারীদের মিলনমেলা

580
AdvertisementLeaderboard

বি. মুকুল

।। টরন্টো, কানাডা থেকে ।।

‘বিসিসিবি ওমেন’ (BCCB Women) চ্যাপ্টার খুব বেশিদিনের নয়। এটি শুধুমাত্র BCCB নারীদের জন্যই। এদের ফেসবুক সাইটটিতে গেলে এদের সদস্য হওয়ার নিয়মাবলী সম্বন্ধে জানতে পারবেন, তাই সে বিষয়ে কথা না বাড়িয়ে মূল প্রসঙ্গে এসে যাই।

তবে আগে বলে নেই, আমি ওখানে ছিলাম একজন ভলান্টিয়ার হিসাবে। কিছু গেস্টদেরকে রাইড দেওয়া থেকে শুরু করে আনুষাঙ্গিক কিছু কাজে সাহায্য করার জন্য আরো কয়েকজন ভাই সহ আমিও ওখানে ছিলাম। তাই আমার সৌভাগ্য হয়েছিলো এই বিভুঁই বিদেশে আমাদেরই বোনেদের দ্বারা আয়োজিত এমন একটি নির্ভেজাল অনুষ্ঠান পর্যবেক্ষণ করার। অসংখ্য ধন্যবাদ মাশহুদা, নাদিয়া হাসান, শাবানা সহ এদের পুরা টিমকে। মাতৃ দিবসকে সামনে রেখে BCCB Women’দের এই আয়োজনটি ছিল খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

BCCB4তবে আজকে আমি আমার পর্যবেক্ষণ সম্বন্ধে খুব বেশি বলবো না। আমি তুলে ধরবো কিছু অংশগ্রহণকারী সদস্যদের মতামত নিয়ে। আমি যা দেখেছি তা হলো একটি গ্রূপের সর্ব প্রথম একটি অনুষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও সবমিলিয়ে একটি সুন্দর অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গেস্টরা আসতে থাকে। অনুষ্ঠানটি হয়েছিল টরন্টোর ইস্ট এন্ডের একটি ব্যাংকোয়েট হলে। হলটি সম্পূর্ণ ভর্তি হয়ে যায়। আমার ভালো লেগেছে ছোট্ট-বড় সমস্ত বয়সের গেস্টদের absolute participation দেখে। হল রুমের এক কোনায় রাখা ছিল ছোটদের খেলনা এবং ক্র্যাফট ওয়ার্ক জাতীয় কিছু সরঞ্জামাদি। সেখানে বাচ্চারা মনের আনন্দে সবাই মিলে খেলা এবং বিভিন্ন creative কাজ করে যাচ্ছিলো। আবার কোনো এক কোনায় সুন্দর করে সাজিয়ে সেলফি স্ট্যান্ড করা ছিল, যে যার ইচ্ছামতো সেখানে গিয়ে ছবি তুলিছিল।

BCCB3সব থেকে আমার যেটা ভালো লেগেছে এবং অনেক গেস্ট আমাকে অত্যন্ত পজেটিভ ফিডব্যাক দিয়েছে সেটা হলো অনুষ্ঠানের শুরুর থেকে প্রত্যেক গেস্টকে একটি আইস ব্রেকিং গেম হিসাবে এক একটি করে কাগজ ধরিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে কিছু প্রশ্ন দেওয়া হয় যেগুলি আপনাকে অন্যান্য গেস্টদের সাথে আলাপ করে শূন্যস্থান পূরণ করতে হবে। আস্তে আস্তে সমস্ত গেস্ট যেন কোনো ক্লাসের ফাইনাল পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়ে যান। অত্যন্ত আগ্রহ এবং উৎসাহের সাথে সবাই এতে অংশগ্রহণ করেন। অবশেষে মিস জেসমিনা আক্তার মিনা তার অসাধারণ সোশ্যাল interection দক্ষতার বলে সমস্ত উত্তর কালেকশন করে জিতে নেন এই পর্বের জন্য দেওয়া মূল্যবান পুরস্কারটি। এই জাতীয় আরো কিছু গেস্টদের অংশগ্রহণের আকর্ষণীয় পর্ব ছিল। তবে অধিকাংশ গেস্টদের মতামত এই ধরণের গেস্টদের অংশগ্রহণের পর্ব যেন ভবিষ্যতে বেশি থাকে।

এ নিয়ে আরও পড়ুনঃ ‘বিসিসিবি’ নারীদের অভিনন্দন জানিয়েছে অন্টারিওর বিরোধী দল

আমার সব থেকে যে বিষয়টি ভালো লেগেছে এবং যেটি কোনো অনুষ্ঠানের খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তা হল গেস্টরা কতটা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন এবং চোখে মুখে তাদের কোনো বিরক্তির ভাব আছে কি না। না, ঐদিন তাদের চোখে মুখে কোনো ধরণের বিরক্তির ভাব ছিল না। আগত গেস্টদের অধিকাংশই কেউ কাউকে চিনতেন না, কিন্তু পুরো হল রুমের অবস্থা দেখে মনে হয়নি যে কেউ কাউকে চিনে না। অনুষ্ঠান শুরুর কিছুক্ষণ পরে অন্টারিও কনজারভেটিভ পার্টির প্রধানের পক্ষ থেকে ডেপুটি লিডার মিস সিলভিয়া জোনস এবং লিবারেল পার্টির সংসদ সদস্য বিল ব্লেয়ারের পক্ষ থেকে আমাদের দেশি যুবক সারোয়ার চৌধুরী, যে কিনা কাজ করছেন বিল ব্লেয়ারের অফিসে, তিনি শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান করেন।

BCCB2বিভিন্ন সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ খাওয়া দাওয়া চলতে থাকে পর্যায়ক্রমে। কারো মধ্যে কোনো তাড়াহুড়া ছিল না; সবাই অত্যন্ত সুন্দরভাবে উপভোগ করছিলেন পুরা অনুষ্ঠানটি। সব থেকে আশ্চর্যের বিষয় হলো ওখানে মাত্র তিন মাসের বাচ্চা থেকে শুরু করে সব বয়সেরই অনেক বাচ্চা ছিল কিন্তু তেমন কোনো কান্নাকাটির শব্দ শুনি নাই। এর মানে হলো যে তারাও কোনো ধরণের বিরক্তি অনুভব করেনি। এটাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং একটি অনুষ্ঠানের সার্থকতার ব্যাপারে এ বিষয়টিও একটি মাপকাঠি হিসাবে কাজ করে। অনেক ক্ষেত্রেই আমরা বড়রা একসাথে হলে ছোটরা কেমন যেন isolated বা uneasy feel করে, কিন্তু ঐদিন সেটা খুব একটা লক্ষ করা যায়নি। তাদের পার্টিসিপেশনটা ছিলো পুরাপুরি। অসংখ্য ধন্যবাদ BCCB Women আয়োজকদের অংশগ্রহণকারীদের এমন সুন্দর কিছু সময় উপহার দেওয়ার জন্য।

আমার কথা নয়, গেস্টদের কথাই বলছি, ২৫ ডলারের টিকেট পুরাপুরি উসুল! ১১ টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানের সময় হলেও সবারই মনে হচ্ছিলো সময় তাড়াতাড়িই চলে গেলো। অবশেষে অনুষ্ঠানের সব শেষ পর্বের কথা বলে আমি আমার কথা শেষ করবো। এই পর্বে ছিল নারীদের একান্ত সময়। এ সময় মিঃ রিমন সহ আমরা স্বল্প সংখক যে ভলেন্টিয়ার ছিলাম তাদেরকে হল রুম থেকে বের করে দেওয়া হলো। আমরা বাইরে দাঁড়িয়ে বসন্তের মিষ্টি রোদে গল্প গুজব করতে থাকলাম আর ভিতরে চলতে থাকলো তাদের একান্ত অংশগ্রহণে আনন্দের পর্ব। এটি আমার কাছে অনেক অনুষ্ঠানের থেকে ব্যতিক্রমী মনে হয়েছে। আমাদের অনেক মা বোন আছেন যারা পুরুষের সামনে, বিশেষ করে আনন্দ ফুর্তির কিছু করতে লজ্জাবোধ করেন এবং এটি আমাদের কালচারের একটি অংশ আর অডিয়েন্সদের পুরাপুরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এটিকে সম্মান করার প্রয়োজন আছে। আমার মিসেস সহ অনেক গেস্টদের কাছে শুনেছি পর্বটি তাদের কাছে খুব ভালো লেগেছে, সে দর্শক হিসাবেই হোক আর অংশগ্রহণকরী হিসাবে হোক। এর শেষে আমাদেকে আবার ডাকা হয় টেবিল চেয়ার সরানো থেকে শুরু করে অনুষ্ঠানটির সমাপনীর জন্য।

আমার কথা এখানেই শেষ।

নিম্নে বাংলাদেশ থেকে আগত আমাদের এক গেস্ট সহ আরো ২/১ জন গেস্ট এর মন্তব্য পুরাপুরি তুলে দেওয়া হলো। এথেকে বোঝা যাবে অনুষ্ঠানটি আসলে কেমন হয়েছিল। এই গেস্টদের প্রত্যেকেই প্রথমে অনুষ্ঠানে যেতে তেমন আগ্রহী ছিলেন না। সম্পূর্ণ BCCB’র ওপর বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করেই আমি এদেরকে উৎসাহিত করেছিলাম অনুষ্ঠানে যোগদানে জন্য। ধন্যবাদ BCCB Women, আমার মান রাখার জন্য।

মিসঃ শামীমা আহমেদ শিমা Ryerson University’তে পড়া ছেলেকে দেখতে এসেছেন বাংলাদেশ থেকে। উনি অন্যান্য অনেক দেশেও যান এবং সেসব জায়গার বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও যান। তাই তার কাছে আমি আবেদন করেছিলাম তার অনুভূতির কথা জানতে। ওনার সে বিষয়ে লেখাটি আমি তুলে ধরলাম।

“যদিও আমি বিসিসিবি-এর মেম্বার নই, কাজিন বি জামান মুকুলের কাছে প্রথম এর সম্পর্কে শুনেছি এবং বেশ কিছুদিন ধরে আমি নিজেও এর একজন নিয়মিত ফলোয়ার, একমাত্র সন্তান লেখাপড়ার সূত্র ধরে বেশ কিছুদিন যাবত টরন্টো আছে তাই তাকে দেখতে প্রতি বছর একবার বাংলাদেশ থেকে এখানে আসা হয়। আমার এবারও ঠিক তেমনি ছেলেকে দেখতে আসা। তবে এবারের আসাটা একটু ভিন্ন মাত্রা এনেছে মাদারস ডে’তে একমাত্র সন্তানের কাছে থাকতে পেরে এবং বিসিসিবির মত একটা সংগঠনের মাদারস ডে উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পেরে। কাজিন মুকুলের মাধ্যমে দাওয়াত পেয়েছি কয়েকদিন আগেই তবে যাওয়ার ইচ্ছে আমার একদমই ছিল না, কারণ আমি হচ্ছি একজন ভিজিটর আর যতটুকু জানি এ সংগঠনটা হচ্ছে বাংলাদেশি কানাডিয়ানদের জন্য, আর কাজিন মুকুল এবং তার পরিবার ছাড়া এ সংগঠনের কেউই চেনা জানা নয়, অবশেষে আমার বোনের জোরাজুরিতে আর কাজিন মুকুলের কথা রাখতে বিসিসিবির প্রোগ্রাম যাই।

সত্যি বলতে আজ দিনটাই অন্য রকম কেটেছে! আর বার বার মনে হচ্ছে না গেলে ভীষণ মিস করতাম! বিদেশের মাটিতে এত সুন্দর একটা আয়োজন, আর একবারের জন্যও মনে হয়নি এখানে আমি অতিথি বা অপরিচিত কেউ, মুহূর্তের জন্য আমার মনে হয়েছে আমি দেশেই আছি, সবাই যেন আমার পরিচিত আর ভীষণ আপন, এ যেন এক খন্ড বাংলাদেশ! জীবন ও জীবিকার তাগিদে আত্মীয় স্বজন রেখে হাজার হাজার মাইল দূরে এই পরবাসে এসেও সবাই একে অপরকে কীভাবে আপন করে নিয়েছে, একে অন্যকে সাহায্য করছে এটা বিসিবির সংস্পর্শে না আসলে বুঝতাম না, এককথায় আমি মুগ্ধ! ধন্যবাদ বি জামান মুকুল এমন একটা সংগঠনের সংস্পর্শে আমাকে আনার জন্য, ধন্যবাদ বিসিসিবি কেও! সুন্দর হোক বিসিবির পথ চলা।” -শামীমা আহমেদ শিমা

BCCBian মিস জেসমিন আক্তার মিনার বক্তব্যঃ

“আমার পড়াশুনা, কাজ এবং সংসারের কাজের কারণে ইদানিং FB তেমন নজর রাখা সম্ভব হয় না। তারপরেও যখন FB খুলি তখন BCCB’র ২/১ টা বিষয় পড়ি। উইকেন্ড কাটে আমার রান্না-বান্না আর পড়াশুনা করে। তাই আমার এখানে আসার তেমন কোনো ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু যেহেতু মাতৃ দিবস আর অনুষ্ঠানটি এই দিবসকেই সামনে রেখে তাই সিদ্ধান্ত নেই যাওয়ার জন্য। তাছাড়া BCCBian মিঃ মুকুল উৎসাহিত করেন এবং বলেন আমার জন্য একটি ভালো নেটোয়ার্কিংও হবে। হ্যাঁ সে ঠিকই বলেছিলো। আমরা চেনা ২/১ জন ছাড়া অনেক অচেনা বোনদের সাথেও পরিচয় হয় এবং আমার কাঙ্ক্ষিত প্রফেশনের বোনদের সাথেও পরিচয় হয়। কাউকেই মনে হয়নি যেনো তাদেরকে আগে চিনি না। আমি আইস ব্রেকিং পর্বটি খুবই উপভোগ করেছি। দীর্ঘদিন পরে শাহানাজ আপার সঙ্গে দেখা হওয়ার পরেও মনে হয়নি এতদিন দেখা হয়নি। উনি আমাদের অন্যান্য গেস্টদেরকেও একইভাবে আপন করে নেন।

সব মিলিয়ে অনুষ্ঠানটি আমার গতানুগতিক অনুষ্ঠানের থেকে ব্যতিক্রমধর্মী এবং ভালো লেগেছে। এক মুহূর্তের জন্যও খারাপ লাগে নি। ওখানে প্রফেসনাল, নন প্রফেশনাল অনেক বোনরাই ছিলেন কিন্তু কারোর মধ্যে কোনো ধরণের জড়তা ছিল না। অনেক বোনকে এমন সাধারণ মনে হচ্ছিলো যে পরিচয়ের আগে বুজতে পারিনি উনারা এতো বড় প্রফেশনে আছেন। অনুষ্ঠানের টিকেটের মূল্য ২৫ ডলার হলেও সব মিলিয়ে অর্জন হয়েছে অনেক, যেটা কিনা টাকা দিয়ে মাপা সম্ভব না। আমি মনে করি দোনো-মনো করে যারা যাননি তারা মিস করেছেন। অন্তত আমি মিস করতাম, না গেলে। অনুষ্ঠানে আনন্দ উপভোগের সাথে আমার কিছু প্রফেশনাল কাজও হয়েছে, যেটি কিনা সব অনুষ্ঠানে আমি পাই না। যোগাযোগ হয়েছে কিছু প্রফেশনাল বোনদের সাথে যেটা আমার পড়াশুনা শেষে এবং বর্তমানেও কাজে লাগবে। সবাইকে খুব পজেটিভ মনে হয়েছে। আমি অত্যন্ত ধন্য যে অনুষ্ঠানটিতে যোগ দিতে পেরেছিলাম।

ধন্যবাদ BCCB এবং BCCB Women organizer’দের এমন একটি সুন্দর অনুষ্ঠান উপহার দেওয়ার জন্য।” -জেসমিনা আক্তার মিনা

মিস রাহিমা পারভীনের বক্তব্যঃ
“আমার ইচ্ছা ছিল অন্য একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার কিন্তু মিঃ মুকুলের অনুরোধে এখানে আসি। অন্যান্য অনেক প্রোগ্রামের থেকে আমার এই প্রোগ্রামটি অনেক ভালো লেগেছে। মনে হয়নি কেউ কাউকে চিনেন না। আনন্দ ফুর্তি হয়েছে অনেক অথচ সবকিছু ছিল অত্যন্ত পরিশীলিত। গেস্ট পার্টিসিপেন্ট পর্বের গেমে আমি খুব মজে গিয়েছিলাম, যদিও কোনো পুরস্কার পাইনি। তবে গেস্টদের উৎসাহ দেখে ভালো লেগেছে। খাবারগুলোও অনেক ভালো ছিলো। অতগুলি লোকের কারো মধ্যে কোনো ভেদাভেদ চোখে পড়েনি। হল রুমটি খুব পছন্দ হয়েছে, নিজেদেরকে বিশেষ কেউ মনে হয়েছে। আর সব থেকে ভালো লেগেছে যখন ছেলেরা বাইরে চলে যায় এবং সবাই মিলে নাচ গান করছিলো। যদিও আমি অনেকের মতো দর্শকের ভূমিকায় ছিলাম তথাপি দেখতে খুব ভালো লেগেছে, একবারে কোনো ফিল্মের মহড়া মনে হচ্ছিলো। মনে হচ্ছিলো আরো কিছুক্ষণ সময় থাকলে ভালো হতো। আমি এই পর্বটিকে খুবই ব্যতিক্রমী মনে করি। আমার অন্য প্রোগ্রাম বাদ দিয়ে এখানে আসতে একটুও আক্ষেপ করি না। আর হ্যাঁ, সবার টেবিলে রাখা প্রত্যেকের জন্য তাজা গোলাপ খুব সুন্দর ছিল, আমার গোলাপটি এখনো তরতাজাভাবে ছোট একটি টবের মধ্যে আছে। BCCB Women আয়োজকদের আমার পক্ষ থেকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমি অলরেডি খোঁজ নিয়েছি আগামী জুলাইয়ে তাদের একটি বাচ্চাদের অনুষ্ঠান আছে, আশা করছি সেখানেও যাবো কারণ এদের প্রতি আস্থা তৈরি হয়ে গেছে। আনন্দের সাথে সাথে কিছু কিছু জিনিস শিখেছি। সবাই ভালো থাকেন।” -রাহিমা পারভীন

Facebook Comments
Print Friendly, PDF & Email