তরুণ যুগল সংকটে টরন্টো দ্বীপ!

566
AdvertisementLeaderboard

আপনারা যদি তরুণ যুগল হন তবে আপনাদেরকেই প্রয়োজন কানাডার টরন্টো দ্বীপের। কারণ সম্প্রতি দ্বীপটির কাউন্সিলর পাম ম্যাককনেল দ্বীপটিতে বয়স্কদের সংখ্যা বৃদ্ধি ও জনসংখ্যা হ্রাসের বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেছেন, এখানকার জনসংখ্যার এক বিরাট পরিবর্তন হচ্ছে। এখানে পরিবারকেন্দ্রিক মানুষের বসবাসের ঐতিহ্য থাকলেও এখন সেই তুলনায় বয়স্ক মানুষের সংখ্যাই বেশি।

তিনি এখানে বসবাসের জন্য তরুণ দম্পতিদের আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছেন।

এবারের আদমশুমারির প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পরই তার মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। ২০১১ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে দ্বীপটি থেকে মাত্র ৬২০ জন চলে গেলেও জনসংখ্যা কমেছে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ।

দ্বীপটির প্বার্শবর্তী শহর সিটি প্যালেস এবং সাউথ কোরে তরুণ দম্পতি এবং পেশাদারদের বসবাসের পরিমাণ ৯৭ দশমিক ২ ও ৩৮ দশমিক ৬ শতাংশ বাড়লেও গত পাঁচ বছরে এই দ্বীপের জনসংখ্যার পরিমাণ কমেছে। মোটের উপর গ্রেটার টরন্টোর এলাকার জনসংখ্যা বেড়েছে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ।

তবে দ্বীপটিতে এই বিপুল পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে বেশকিছু কারণ। তরুণ দম্পতিরা যদি দ্বীপটিতে বসবাসের আবেদন করেন তবে যখন তারা সেখানে বসবাসের সুযোগ পান তখন আর তারা তরুণ থাকেন না।

২০০৯ সালের এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আবেদনের প্রায় ৩৫ বছর পর দ্বীপটিতে বসবাসের অনুমতি পাওয়া যায় যেখানে বসবাসের অবেদন গ্রহণ করা হয় দুই থেকে তিন বছর পর পর।

এসকল সমস্যার সমাধানের জন্য প্রাদেশিক চুক্তি নতুনভাবে করার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

১৯৯৩ সালের চুক্তি অনুযায়ী, এখানে বসবাসরতদের নিকট-আত্মীয়দেরই আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

তবে এই নিয়ম সংশোধন করা না হলে এর পরিবর্তন সম্ভব নয় বলেও মনে করা হচ্ছে।

আর এই নিয়ম হওয়া নিয়ে আশা প্রকাশ করলেও এ দ্বীপের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে ২৩ জন কাউন্সিলরের এক মতে পৌঁছানো নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে ম্যাককনেল বলেছেন, কিছু সময়ে মানুষকে গতানুগতিক চিন্তা বাদ দিয়ে অধিক যুক্তিসঙ্গত হতে হয়। এমনটি না হলে সমস্যা থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়।

মেট্রো নিউজ
Facebook Comments
Print Friendly, PDF & Email