পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন, কানাডার আদালতের রায়

764
AdvertisementLeaderboard

পদ্মাসেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের কোনো প্রমাণ পাননি কানাডার আদালত। তাই এ মামলার বিবাদী তিন ব্যবসায়ী কর্মকর্তাকে অব্যাহতি দিয়েছেন অন্টারিওর বিচারক। শুক্রবার কানাডার পত্রিকা দ্য গ্লোব অ্যান্ড মেইল-এ প্রকাশিত সংবাদে এ তথ্য জানানো হয়।

মামলা থেকে খালাস পাওয়া তিন কর্মকর্তা হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডীয় ব্যবসায়ী জুলফিকার আলী ভূঁইয়া, আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এসএনসি-লাভালিনের জ্বালানি ও অবকাঠামো বিভাগের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কেভিন ওয়ালেস এবং প্রতিষ্ঠানটির আন্তর্জাতিক প্রকল্প বিভাগের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট রমেশ শাহ।

তারা তিনজনই বাংলাদেশে কাজ পেতে এ দেশের কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

২০১১ সালে রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের (আরসিএমপি) এক কর্মকর্তা এই মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার সময় দাবি করেছিলেন, তারা আড়ি পেতে অভিযুক্তদের ব্যক্তিগত আলাপচারিতা উদ্ধার করেছেন।

তবে অন্টারিওর উচ্চ আদালতের বিচারপতি ইয়ান নর্ডহেইমার মামলার তথ্যপ্রমাণ হিসেবে ফোনে আড়ি পেতে সংগ্রহ করা তথ্যকে নিছক গুজব আর গুঞ্জন বলে নাকচ করে দেন।

বিচারক তাঁর রায়ে লেখেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে উপস্থাপন করা তথ্য মনগড়া, জল্পনা, এবং গুজব ছাড়া কিছুই না।

আরসিএমপি পাঁচজনকে দুর্নীতির এই মামলায় অভিযুক্ত করে, যাদের মধ্যে এসএনসি লাভালিনের সাবেক কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসমাইল, এবং বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী’কে আগেই অব্যাহতি দেওয়া হয়।

পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক ঋণ বাতিল করেছিল।

 

দ্য গ্লোব অ্যান্ড মেইল
Facebook Comments
Print Friendly, PDF & Email