ভাষা শহীদদের প্রতি কানাডা ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

AdvertisementLeaderboard

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে বীর শহীদদের প্রতি মন্ট্রিয়লে শ্রদ্ধা জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কানাডা।

মন্ট্রিয়লের সার্বজনীন একুশ উদযাপন আয়োজনে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে কানাডা ছাত্রলীগ এর আহবায়ক সৈয়দ মেহেদী রাসেলের নেতৃত্বে বর্তমান ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

এর আগে একুশের প্রথম প্রহরে পার্ক এক্সটেনশনে সার্বজনীন একুশ উদযাপন এর প্রভাতফেরিতে  অংশ নেয় ছাত্রলীগ। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- সাবেক ছাত্রলীগ নেতা  কবীর হালদার, ছাত্রনেতা সৈয়দ ইউসুফ তাকি, পলাশ সরকার সহ অন্যরা।

একুশের আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে কানাডা ছাত্রলীগ-এর আহবায়ক সৈয়দ মেহেদী রাসেল বলেন, ‘মহান একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালির জীবনে শোক, শক্তি ও গৌরবের প্রতীক। শোকবিহ্বলতা, বেদনা আর আত্মত্যাগের অহংকারে দেদীপ্যমান ভাষা আন্দোলনের সেই শপথ যুগে যুগে বাঙালির মহান মুক্তিযুদ্ধে, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে, সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আলোকবর্তিকার মতো মূর্ত হয়ে ওঠে। এখনো জাতির যে কোন ক্রান্তিকালে ভাষা আন্দোলন আমাদের প্রেরণা যোগায়। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ভাষা আন্দোলন জাতির বীরত্বপূর্ণ ঐতিহ্যের পরিচয় তুলে ধরে।’

তিনি আরো বলেন, ‘যখন স্বাধীনতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ এগিয়ে চলেছে, ধর্মান্ধ মৌলবাদী মানবতাবিরোধী অপশক্তি যখন দেশের রাজনৈতিক পরিমন্ডল অস্থির অশান্ত করে তোলার চক্রান্তে লিপ্ত তখন চির প্রেরণার প্রতীক অমর একুশে নতুন তাৎপর্য নিয়ে জাতির সামনে হাজির হয়েছে। তাই আজ শুধু শোক নয়, শোককে শক্তিতে পরিণত করার দিন।’

সৈয়দ মেহেদী রাসেল আরও জানান, ‘একুশ বাঙালী জাতির অহংকার, ছাত্রলীগ-এর প্রথম সফলতা। রক্তের বিনিময়ে বাঙালি পেয়েছে তার মুক্তির, তার গন্তব্যের দিশা। একুশে ফেব্রুয়ারি তাই বাংলাদেশের, বাঙালির চির প্রেরণার প্রতীক। একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু দিবস নয়, একুশ আমাদের চেতনার উন্মেষ ঘটায়, আমাদের চেতনাবোধ, আত্মমর্যাদাবোধ জাগ্রত করে। যার পথ বেয়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করি।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
Facebook Comments
Print Friendly, PDF & Email